ক্লাস নাইন, ১৯৯৭—এক টুকরো ফিরে পাওয়া সময়

আজ বহুদিন পর যেন হঠাৎ করেই স্কুলের ছোঁয়া পেলাম, জানিস। বর্তমান আস্তানায় যেখানে সবাই একসাথে হয়, সেখানেই বাচ্চাদের সঙ্গে সরস্বতী পুজোর কাজে মেতে উঠলাম। রাত হয়ে যাচ্ছিল—মেয়েকে নিতে এসে অজান্তেই জুড়ে গেলাম আঁকার কাজে।
আর ঠিক তখনই, কোনো সতর্কতা ছাড়াই, মনটা ফিরে গেল স্কুলের দিনগুলোয়। আজকের বাচ্চাগুলোর উত্তেজনায় টইটম্বুর মুখ আর ক্লাস নাইনের (১৯৯৭) সেই ফেব্রুয়ারির বন্ধুরা যেন এক হয়ে গেল। ওরা আর শুধু ওরা রইল না—সবাই মিলেমিশে হয়ে উঠল আমার সেই ক্লাস নাইনের বন্ধুগণ।
সেই একই রকম উত্তেজনা, নতুনের স্পর্শ, কিছু পাওয়ার আগেই হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা—যা ধরা যায় না, শুধু অনুভব করা যায়। একসাথে কাজ করার, আবার না পারারও, সেই বাঁধহীন আনন্দে ভেসে চললাম ঢেউয়ের মতো। অনেক মুখ আজ ঝাপসা, তবু বেশিরভাগ বন্ধুই স্পষ্ট হয়ে ধরা দিল। বিস্মৃত সময়গুলো ভিড় করে এসে পড়ল মনে। আহা, কী যে আনন্দ!
ছোটবেলায় এই পুজোর আয়োজনেই তো প্রথম শিখেছিলাম—একসাথে থাকলে, একসাথে কাজ করলেই সব কিছু পূর্ণ হয়।
তাই এই অনুভূতিটুকু ভাগ করে নেওয়ার তাড়নায় এই লেখা। ভালো থাকিস সবাই। সরস্বতী পুজোর অনেক শুভেচ্ছা।